Best Bangla Golpo | জাদুর কাঠি | Vuter Golpo | ভূতের গল্প | | ৩য় পর্ব

জাদুর কাঠি
তৃতীয় পর্ব
#লেখক_আনোয়ার_হোসেন

best-bangla-golpo-2024-ভূতের-গল্প-জাদুর-কাঠি

Best Bangla Golpo 2024 | জাদুর কাঠি | Vuter Golpo | ভূতের গল্প | | ৩য় পর্ব

সেখানে থাকা সবাই তাকে বখাটে বলে আখ্যা দিচ্ছিল। মিলিও তাকে বাজেভাবে বকছে। এসব আর তার কাছে সহ্য হচ্ছে না। সে তখনি ভাবে আমার কাছে জাদুর কাঠি আছে। তারপরও কেন আমি এতো চিন্তা করছি। সে একটা হাসি দিয়ে মনে মনে কি যেন বলে আর পরক্ষণেই সে সেখান থেকে মুহূর্তের মধ্যেই অন্যত্র চলে যায়। তখন সে ভাবে এখান থেকে তো বাঁচলাম,কিন্তু এই খবর যদি এলাকার লোকজন জেনা যায়,তাহলে মানসম্মান আর কিছু থাকবে না। তাই সে আরো বড়রকমের চিন্তা করে। সে ভাবে আমি যদি জাদুর মাধ্যমে সবকিছু পাল্টে ফেলি তাহলেই তো হয়। সে বিরবির কিছু বলে আর তখনই সে রহস্যময় একটা হাসি দেয়।
মানে এখন মিলির বাড়ির সবাই বেপারটি ভূলে যায়। কারো কিছু মনে নেই। তার মানে এখন আনোয়ার তপনের বাড়ি গেলেও কেউ তাকে কিছু বলতে পারবে না। অর্থাৎ সে তার সাথে থাকা জাদুর কাঠি দিয়ে কিছু একটা করেছে। যার ফলে সবাই সমস্ত ঘটনা ভূলে গেছে।তার খুবই খিদে পেয়েছে,সে দুষ্ট এক হাসি দিয়ে পাশের বাজারে চলে যায়। সেখানে গিয়ে জাদুর কাঠির সাহায্যে কিছু খাবার সাথে নিয়ে নেয়। আর সে খাবার রিফাতের বাড়ি নিয়ে যায়। রিফাত আনোয়ার সহ সবাই সে খাবার খায়। তারা দুজনে পাশের বাড়ির খালপাড়ে ব্রিজে বসে গল্প করছিল। তখন সেখানে রিফাত বলতে থাকে এই শোন আমি যে পরিমিতা নামের মেয়েটিকে ভালোবাসি,এই কথাটা তুই কাওকে বলবি না। আনোয়ার বলে ও আচ্ছা এই বেপার। ঠিক আছে আমি কাওকে কিচ্ছু বলবো না। একথা বলে তারা বাড়ি ফিরে আসে।
রাতের খাওয়াদাওয়া সেড়ে তারা শুয়ে পরে। আনোয়ার ভাবছে পরিমিতা মেয়েটি সত্যিই রহস্যময়। সে কি সত্যিই মানুষ নাকি অন্য কিছু। না না এটা আমাকে জানতেই হবে। তার মাথায় একটা দুষ্ট বুদ্ধি আসে। সে ভাবে আজ রাতে সে নিজে রিফাতের ছদ্মবেশ ধারন করে পরিমিতার কাছে যাবে। যেহেতু সে জাদুর কাঠির সাহায্যে সবকিছুই করতে পারে। তাই সে মাঝরাতে জাদুর কাঠি হাতে নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। বাহিরে আধো আলো-ছায়ার খেলা। আশেপাশে ঝিঝি পোকা ডাকছে। ঘর থেকে বেরিয়ে কিছুটা পথ গিয়েই সে বিরবির করে কিছু বলতে থাকে। আর সেখানেই সে রিফাতের ছদ্নবেশ ধারন করে। সে ভাবে আজ অনেক মজা হবে। পরিমিতা জানবেই না যে আজ তার সাথে রিফাত নয় আনোয়ার দেখা করতে গেছে।
কিছুক্ষণ হাটার পর আনোয়ার সেই পরিত্যক্ত পুরনো বাড়ির সামনে গিয়ে দাড়ায়। আশেপাশে কাওকেই দেখা যাচ্ছে না। আনোয়ার এখন রিফাতের ছদ্মবেশ ধরে আছে। তাই সে সেখানে সুন্দর করে পরিমিতার নাম ধরে ডাকতে থাকে। কিন্তু আজ সেখানে পরিমিতা নামের সুন্দরী কোনো মেয়েটি বের হয়ে আসে না। আনোয়ার রাগে সেই পরিত্যক্ত বাড়ির ভেতর প্রবেশ করে। কিন্তু না সেখানে কিছুই নাই। অনেক ডাকাডাকি করেও আনোয়ার সেখানে পরিমিতার দেখা পায়নি। তাই সে রাগান্বিত হয়ে বাড়ি ফিরে আসে। পরদিন সকালে শোনা যায় সেই পরিত্যক্ত বাড়ির ভেতর থেকে পাশের এলাকার একটা ছেলের লাশ পাওয়া গেছে। এটা জেনে আনোয়ার খুবই অবাক হয়। আর তখনও রিফাত কাথা দিয়ে নাকমুখ ঢেকে ঘুমাচ্ছিল। রিফাতের বোন ফাহিমা এসে বলে ভাইয়া মা বলেছে বাজারে যেতে।
আনোয়ার খুবই অবাক হয়। আরে ফাহিমা তো কোনোদিনই তার সামনে আসে না। তাহলে আজ কি মনে করে তাকে বাজারের কথা বলছে। মেয়েটা কি পাগল হয়ে গেল নাকি? ফাহিমা চলে গেলে আনোয়ার ওয়াশরুমের আয়নায় তাকাতেই চমকে যায়। সর্বনাশ আয়নাতে তো তাকে রিফাতের চেহারা দেখাচ্ছে। তার মানে সে এখনো রাতের বেলা ছদ্মবেশ ধরা রিফাতের চেহারা নিয়েই আছে। তার চেহারাতে ফিরতে একদমই মনে ছিল না। সে ঝটফট জাদুর কাঠির মাধ্যমে মে নিজের চেহারায় ফিরে আসে। বিপদ কিন্তু কাটেনি। ফাহিমা যে তাকে রিফাত ভেবে বাজার করার কথা বলে গেল। এখন এই কথাটা তো রিফাত জানেনা। তাই সে চিন্তা করে এখন সে ফাহিমার রূপ ধারন করে রিফাতকে বাজার করার কথা বলবে।
সাথে সাথে সে ফাহিমার রূপ ধরে ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে আসে। আর রিফাতের মা এটা খেয়াল করে। আজব তো! এইমাত্র তো আনোয়ার ওয়াশরুমে গেল,আর বের হয়ে আসলো ফাহিমা। এটা কিভাবে সম্ভব!!! তিনি ভাবে হয়তো ভেতরে আনোয়ার আছে। তিনি বিষয়টাকে নেগেটিভ ভাবে নেয়। সে ভাবে তাহলে কি ওয়াশরুমে আগে থেকে ফাহিমা ছিল। আনোয়ার ভেতরে যাওয়ার কিছুক্ষন পর ফাহিমা বের হয়ে আসে। তিনি দৌড়ে ওয়াশরুমে উঁকি দিয়ে দেখে সেখানে কেউই নেই। এটা দেখে তিনি খুবই অবাক হয়। এইমাত্র তো সে আনোয়ারকে ওয়াশরুমে যেতে দেখেছে। আর বের হয়ে আসলো ফাহিমা। এটা কিভাবে সম্ভব।

 

Best Bangla Golpo | Bhooter golpo | Horror Story

অন্যদিকে আনোয়ার ফাহিমার রূপ ধরে রিফাতকে ডেকে বাজার করার কথা বলে আসে। আর আড়ালে গিয়ে তার স্বাভাবিক রূপে ফিরে আসে। রিফাতের মা ফাহিমাকে জিগ্যেস করে কিরে ফাহিমা তুই কি আজ সকালে ওয়াশরুমে গিয়েছিলি? জবাবে ফাহিমা বলে না মা আমি আজ এখনো ওয়াশরুমে যাইনি। তার মা বেপারটা কাওকে জানায়নি। তিনি ভাবে এটা বললে ফাহিমা ভয় পাবে। ভাববে বাড়িতে ভূত আছে। ভূতের কথা ভাবতেই তিনি ভয় পেয়ে যায়। আনোয়ার ও রিফাত দুজনে বাজারে চলে যায়। আনোয়ার জিগ্যেস করে কিরে তোর গার্লফ্রেন্ডের পরিত্যক্ত বাড়িতে পাশের এলাকার একটা ছেলের লাশ পাওয়া গিয়েছে।
রিফাত বলে কি বলছিস এসব! আনোয়ার বলে তোর ঐ ভূতনী গার্লফ্রেন্ড হয়তো ছেলেটিকে মে-রে-ছে। রিফাত বলে সাবধান পরিমিতার নামে এসব বলবি না একদম। আমি পরিমিতাকে ভালোভাবে চিনি। আনোয়ার বলে দেখ এখন এই খু-নে-র দায়ে এখন তোর পরিমিতাকে জেলে যেতে হবে হয়তো। রিফাত বলে আরে না পরিমিতার কিছুই হবে না। সে এমন কাজ করতেই পারে না। চল আগে পরিমিতার কাছে যায়। পরে বাজার করা যাবে। দুজনেই হাটতে হাটতে সেই পরিত্যক্ত বাড়ির সামনে গিয়ে দেখতে পায় সেখানে অনেক লোকজন জড়ো হয়েছে। সবাই লাশ দেখার জন্য সেখানে জড়ো হয়েছে। তারা দুজনে লাশের কাছে যায়। ইস্ এভাবে নৃ-শংসভাবে কেউ কাওকে মারে। ছেলেটির বুক চি-রে হার্ট বের করে নিয়েছে।
আনোয়ার খুবই অবাক হয়। আরে গতোরাতে তো সে রিফাতের রূপ ধারন করে এখানে এসেছিল। কোথায় তখন তো সে এখানে কাওকে দেখতে পায়নি। পরিমিতাকেও এখানে পাওয়া যায়নি। তাহলে এই ছেলেটি এখানে কখন আসলো আর কেই বা তাকে এভাবে খু..ন করলো। আনোয়ার বলে দোস্ত তুই যাই বলিস না কেন,এই খু-নে-র দায় কিন্তু তোর গার্লফ্রেন্ডেরই নিতে হবে। কেননা সে ঐ পরিত্যক্ত বাড়ির বাসিন্দা। রিফাত বলে সে পরে দেখা যাবে। এখন চল বাজারে যাওয়া যাক। তারা বাজারে যায়। সবকিছু কেনা শেষে তারা হেটে বাড়ি ফিরছিল। আনোয়ার বলে তুই বাড়ি যা আমি একটু মিলির সাথে দেখা করে আসি। সে তখন অদৃশ্য হয়ে মিলির বাড়িতে যায়। কিন্তু মিলি তখন বাড়িতে ছিলনা। সে তো অদৃশ্য তাই কাওকে কিছু জিগ্যেস না করে বাড়ি চলে আসে। বাড়িতে এসে দেখে রিফাতের মা যা-তা বলে যাচ্ছে।
তিনি বারবার বলছেন এ বাড়িতে নাকি ভূতের আনাগোনা শুরু হয়েছে। আনোয়ার তো জানেই যে সে মাঝেমাঝে রিফাত ও ফাহিমার রূপ ধরেছিল। তাই সে বেপারটাকে স্বাভাবিকভাবে নেয়। সেদিন সন্ধাবেলা রিফাত বলে দোস্ত আজ রাতে আমি পরিমিতার সাথে দেখা করবো। আনোয়ার বলে দোস্ত আমি মনে করি তোর পরিমিতার সাথে না দেখা করাটাই ভালো হবে। আমার কাছে বেপারটা খুবই অদ্ভুত লাগছে। একটা পরিত্যক্ত বাড়ির ভেতর কি করে একটা সুন্দরী যুবতি মেয়ে বসবাস করে। এর তো কোনো রহস্য আছেই। রিফাত বলে দূর ছাই। যখন থেকে এসেছি শুধু যা-তা বলে যাচ্ছিস। পরিমিতাকে আমি ভালো করে চিনি। আনোয়ার বলে ঠিক আছে তোর যা ইচ্ছা তুই কর।
সেদিন রাতে সবাই ঘুমিয়ে আছে। হঠাৎই আনোয়ার ঘুম থেকে জেগে উঠে। সে খেয়াল করে বুঝতে পারে রুমের দরজা খোলা। আনোয়ার সাথে সাথে উঠে পরে। কোথাও রিফাত নেই। ততক্ষণে তার বু্ঝতে বাকি নেই যে রিফাত এখন কোথায় আছে। আনোয়ার দৌড়ে সেই পুরনো পরিত্যক্ত বাড়িটির দিকে যেতে থাকে।সে বাড়ির কাছাকাছি যেতেই দেখতে পায়,রিফাত কার সাথে যেন কথা বলছে। আশ্চর্য সেখানে কেউই নেই তাহলে রিফাত কার সাথে কথা বলছে। রিফাত বলছে আমি তোমাকে বিয়ে করে আমার রানী বানিয়ে রাখবো। এভাবে রাতের আধারে আর দেখা করতে আমার ভালো লাগে না। আনোয়ার বেপারটা খেয়াল করার জন্য আরো কাছে যায়। কিন্তু তখনও সেখানে রিফাতের সাথে কেউই ছিল না।

 

Best Bangla Golpo | Vuter Golpo | জাদুর কাঠি

 

 

আচ্ছা রিফাত পাগল হয়ে যায়নি তো আবার। আর তখনই আনোয়ার সবচেয়ে ভয় পেয়ে যায়,সে দেখতে পায় রিফাত পুকুরের কাছে যেখানটাই দাড়িয়ে আছে,সেখানে পুকুরের পানিতে তাকিয়ে স্পষ্টই দেখা যাচ্ছে ভয়ানক ডাইনিকে। যেটা দেখতে খুবই ভিবৎস লাগছে। আনেয়ার খুবই ভয় পেয়ে যায়। সে ভাবে এই তাহলে রিফাতের গার্লফ্রেন্ড। বেপারটা যেভাবেই হোক রিফাতকে জানাতেই হবে। তার জীবন ঝুকিতে আছে। তখনই আনোয়ার সেখানে জাদুর কাঠির সাহায্যে অদৃশ্য হয়ে যায়। সে আস্তে আস্তে সেই পুকুরের কাছে যায়। আর ভালো করে তাকালে সে দেখতে পায়,একটা কালো কুচকুচে পোশাক পরিহিত ভয়ানক একটা অবয়ব সেখানে রিফাতকে শক্ত করে ধরে রেখেছে। রিফাতও তারই বশে চলে গেছে। তাই সে কি সব উল্টাপাল্টা কথা বলে যাচ্ছে।
আনোয়ার ভাবে আচ্ছা ঐ ডাইনিটি তাকে দেখে ফেলেনি তো আবার। আরে আমি এতো চিন্তা করছি কেন। আমি তো জাদু জানিই। আমাকে দেখতে পারবে না। একথা বলে সে রিফাতের কাছে গিয়ে রিফাতকে হাত ধরে টানতে থাকে। আর তখনি সেই ভয়ানক অবয়বটি রিফাতের হাত ছেড়ে দেয়। কোনোকিছু বুঝে উঠার আগেই আনোয়ার রিফাতকে অদৃশ করে দুজনেই সেখান থেকে চলে আসে। আনোয়ার ভাবে এবার বেপারটা রিফাতকে জানাতেই হবে। নয়তো বিপদ বেড়ে যাবে। তাই সে জাদুর মাধ্যমে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। রিফাতকে সবকিছু জানালে সে খুবই ভয় পেয়ে যায়। বলিস কি তুই। আনোয়ার বলে তুই যাকে গার্লফ্রেন্ড ভেবে এতোদিন প্রেম করেছিস, সে আসলে মানুষ নয়। সে একটা ভয়ানক রকমের ডাইনি।
আজ আমি না থাকলে তোর যে কি হয়ে যেত তা স্বয়ং উপরওয়ালাই জানেন। রিফাত বলে সেখানে আমার কোনো চেতনায় ছিল না। মানে আমি আমার মধ্যে ছিলাম না তখন। আনোয়ার বলে তোকে সাবধানে থাকতে হবে। নয়তো ঐ অশুভ শক্তি যখন তখন তোর বিপদের কারন হতে পারে। রিফাত বলে তুই সঠিক সময়ে আমার চোখ খুলে দিয়েছিস। তোকে কি বলে যে ধন্যবাদ দেবো। আনোয়ার বলে তুই আর ভূলেও সেই পরিত্যক্ত বাড়ির আশেপাশে যাবি না।
রিফাত বলে ঠিক আছে আমি আর ভূলেও সেখানে যাবো না। পরদিন আনোয়ার মিলিকে দেখার জন্য তার বাড়িতে যায়। দেখে মিলি বাড়িতেই আছে। আনোয়ার অদৃশ্য হয়ে মিলির ঘরে প্রবেশ করে। মিলি তখন বসে পড়ছিল। সে চুপি চুপি মিলির পাশে গিয়ে দাড়ায়। এক পলকে সে মিলির দিকে তাকিয়ে থাকে। মিলি একমনে পড়ে যাচ্ছে। মিলি পানি পান করার জন্য পাশের রুমে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে সে আবারো ফিরে আসে আর এসেই মিলি একটা চিৎকার দেয়। আনোয়ার অবাক হয়ে যায়। বেপার কি, মিলি এভাবে চিৎকার করছে কেন। সে বেপারটা খেয়াল করছে।
মিলি তার মাকে ডাকছে ,মা ভূত ভূত!!!তার মা দৌড়ে আসে। কি হয়েছে মা তোর? মিলি বলে মা এই রুমে ভূত আছে। আমি রুমে আনোয়ারকে দেখেছি। তার মা খুঁজে দেখে কোথাও আনোয়ার নেই। আনোয়ার অবাক হয়ে যায়! সে তো অদৃশ্য হয়ে আছে। তারপরও মিলি তাকে দেখলো কিভাবে। তখনই সে খেয়াল করে সামনে থাকা আয়নায় মিলি তাকে দেখে নিয়েছে। এতোক্ষনে সে বাপারটা বুঝতে পারে। সে যখন অদৃশ্য থাকে তখন কেউ আয়নার সাহায্যে তাকে দেখতে পারবে। আনোয়ার এটা বুঝতে পেরে রুমের বাইরে বেরিয়ে আসে। তার মা বলে মা মিলি তুই ভূল দেখেছিস। হয়তো এটা তোর মনের ভূল ছিল। ভয় পাসনে মা আমি তো আছি। তুই পড় আমি তোর পাশেই আছি।
চলবে…

 

Best Bangla Golpo 2024 | জাদুর কাঠি |পর্ব -৪

 

 

More Best Bangla Golpo | Romantic Golpo  | Vuter Golpo 

#ভূতের_গল্প #জাদুর_কাঠি #ভূতেরগল্প #highlightseveryone #foryoupageシ #জাদুর_কাঠি_লিংক #rpambg12 #আনোয়ারহোসেন #ভূতেরভয়ংকরগল্প
#virals #foryou #foryourpage #horrorstory #bhoothfm #bhoot #horror_story #ghost #জাদুর_কাঠি_ভৌতিক_গল্প #viralposts #লেখকআনোয়ারহোসে #viralpage #viralpost

Leave a Comment